Social Icons

বুধবার, ১৪ মে, ২০২৫

বাংলাদেশে উর্দুভাষী জনগোষ্ঠীর জীবনমান: একটি উপেক্ষিত ইতিহাস ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ।

বাংলাদেশে উর্দুভাষী জনগোষ্ঠীর জীবনমান: একটি উপেক্ষিত ইতিহাস ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে দেশজুড়ে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী বসবাস করলেও উর্দুভাষী জনগোষ্ঠী, যাদের অধিকাংশই "বিহারী" নামে পরিচিত, তারা আজও সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নাগরিক অধিকার থেকে অনেকাংশে বঞ্চিত। এ জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ এখনও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে শহরে বস্তি ও তথাকথিত "বিহারী ক্যাম্পে" বসবাস করছে। তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে, যেটা আমাদের জাতীয় বিবেককে নাড়া দেয়ার মতো।

ইতিহাস ও পটভূমি:
১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের সময় এদের অনেকেই পাকিস্তানে চলে আসে এবং পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ)-এ স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর অনিরাপদ অবস্থায় পড়ে যায়। স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় তারা রাষ্ট্রবিহীন জনগোষ্ঠী হিসেবে বিবেচিত হয়।

আজও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যেমন মিরপুর, মোহাম্মদপুর, চট্টগ্রাম, খুলনা, সৈয়দপুর, রাজশাহী ও রংপুরসহ ১১৬ টিরও বেশি ক্যাম্পে প্রায় ৭ লক্ষাধিক উর্দুভাষী জনগোষ্ঠী মানবেতর অবস্থায় বসবাস করছে। এদের অধিকাংশ ক্যাম্পে মৌলিক সুযোগ-সুবিধার অভাব প্রকট। অধিকাংশ স্থানে পানি, বিদ্যুৎ ও পয়ঃনিষ্কাশনের যথাযথ ব্যবস্থা নেই।

উর্দুভাষীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই নিপীড়ন, হুমকি ও সহিংসতার অভিযোগ রয়েছে। এর একটি নির্মম উদাহরণ বিগত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারে আমলে  ২০১৪ ইং সালের ঘটে। ঢাকার পল্লবী থানাধীন কুর্মিটোলা ক্যাম্পে রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের দ্বারা এক উর্দুভাষী পরিবারের ঘরে তালা মেরে আগুন লাগিয়ে ৯ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার আজও হয়নি। এ ঘটনা প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার ছায়া থেকেও তারা বঞ্চিত।

উচ্চশিক্ষা ও ভাল চাকরির সুযোগ থেকে উর্দুভাষীরা দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত। শিক্ষার অভাবে তাদের প্রজন্ম পর প্রজন্ম দারিদ্র্য ও অশিক্ষায় নিমজ্জিত রয়েছে। যদিও কিছু এনজিও শিশুদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা দিচ্ছে, তবুও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। অনেকেই মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করতে পারে না এবং কর্মসংস্থানের কোনো টেকসই পথ তাদের সামনে থাকে না।

রাজনৈতিক ব্যবহার ও প্রভাব:
বিভিন্ন সময় ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলগুলো এই জনগোষ্ঠীকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। ভোটের মৌসুমে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোটের পরে সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় না। ফলে তারা চিরকালই ব্যবহৃত ও বঞ্চিত – দুটো ভূমিকায় বন্দি থেকে গেছে।

সমস্যার গভীরতা ও সামাজিক প্রভাব।
এই জনগোষ্ঠীর মধ্যে নেতৃত্বের অভাব, শিক্ষার অভাব এবং চাকুরির অভাব – এই তিনটি দিক সবচেয়ে বেশি প্রকট। তারা মূলধারার সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন, এবং চতুর্থ প্রজন্ম পর্যন্ত এক নিঃসঙ্গ সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ফলস্বরূপ, হতাশা, মাদকের প্রতি আসক্তি, অপরাধ প্রবণতা এবং আত্মবিশ্বাসহীনতা এই জনগোষ্ঠীর ভবিষ্যৎকে আরও অন্ধকারাচ্ছন্ন করছে।

সম্ভাব্য সমাধান ও করণীয়:
উর্দুভাষী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে নিচের কার্যকর পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা যেতে পারে:

1. নাগরিক অধিকার নিশ্চিতকরণ:
তাদের পূর্ণাঙ্গ নাগরিকত্বের স্বীকৃতি দিতে হবে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন, শিক্ষাগত সনদসহ সব নাগরিক সুবিধায় সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

2. ক্যাম্প পুনর্বাসন ও আবাসন ব্যবস্থা:
আধুনিক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ক্যাম্পগুলো পুনর্বাসন করতে হবে। পর্যায়ক্রমে তাদের জন্য স্থায়ী আবাসন গড়ে তোলা এবং ন্যূনতম জীবনমান নিশ্চিত করতে হবে।

3. শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন:
শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে মূলধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

4. চাকুরির সুযোগ সৃষ্টি:
সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে চাকুরির কোটা বা বিশেষ কর্মসূচি চালু করা যেতে পারে যাতে তারা আত্মনির্ভরশীল হতে পারে।

5. আইনগত সহায়তা ও মানবাধিকার নিশ্চিতকরণ:
যেসব নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, তার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এর পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

6. নেতৃত্ব ও সচেতনতা গড়ে তোলা:
তাদের মধ্যে নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে, যারা সমাজ ও রাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে গণতান্ত্রিক উপায়ে তাদের সমস্যার সমাধান চাইবে।

উপসংহার:
উর্দুভাষী জনগোষ্ঠী বাংলাদেশেরই নাগরিক। চার প্রজন্ম ধরে অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার এই জনগোষ্ঠীর প্রতি জাতি ও রাষ্ট্রের দায়িত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই। এখনই সময় – রাষ্ট্র, নাগরিক সমাজ, এনজিও এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একসাথে কাজ করে এই জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার। অন্যথায়, আরেকটি প্রজন্ম হারিয়ে যাবে অন্ধকার ভবিষ্যতের গহ্বরে।
স্টাটাস পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। 
আপনার কোনো মতামত থাকলে কমেন্টে লিখে জানাতে পারেন।

𝑀. 𝒮𝒽𝒶 𝐻𝓊𝓈𝓈𝒶𝒾 𝒜𝓃𝓈𝒶𝓇𝒾

শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

রৌফাবাদ (রউফাবাদ) নামকরণে ইতিহাস

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আওতাভুক্ত ৭ নং ওয়ার্ড ও পাঁচলাইশ থানা অন্তর্ভুক্ত রউফাবাদ কলোনির নাম করনের ইতিহাস। 
১৯৪৭ ইং সালে ভারত বর্ষ বিভক্ত হওয়ার পর, ভারত হইতে অনেক মুসলিম মোহাজের পরিবার পরিজন নিয়ে পুর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন, ভারত হইতে আগত মোহাজেরদের পুণর্বাসনের লক্ষে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ থানা অন্তর্গত দুটি এলাকায় পুণর্বাসনের উদ্যোগ নেয়। 
১ (রউফাবাদ) ২ (হামজারবাগ)
এই দুটি এলাকা ১৯৫২/৫৩ ইং সালে তৎকালীন সময়ে পশ্চিম ষোল শহর রিফুজি ক্যাম্প নামে পরিচিত পায়।
পশ্চিম ষোল শহর রিফুজি ক্যাম্পে মোহাজেরদের পুণর্বাসনের জন্য ১৯৫২/৫৩ ইংরেজি সালে ত্রান ও পুণর্বাসন মোহাজেরদের নামে ১৫.৯০ একর জমি অধিগ্রহণ করেন,
তৎকালীন ১৯৫২/৫৩ থেকে ১৯৬০ ইং পর্যন্ত সর্বমোট ২৬০ পরিবারকে জমি বরাদ্দ দেয়া হয়।
প্রতিটি পরিবারকে ২৫×৫০=১২৫০ বর্গ ফুট জমি ৮৩৫/=টাকা মুল্য ধরে দেয়া হয়। 
১৯৬৩ ইং সাল পর্যন্ত অত্র এলাকার নাম পশ্চিম ষোলো শহর রিফুজি ক্যাম্প নামেই ছিলো ১৯৬৪ ইং সালে চট্টগ্রামে 
আব্দুর রউফ নামের একজন ডেপুটি কমিশনার আসেন এবং তার অধিনে উক্ত এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হয়, এলাকাবাসী আব্দুর রউফ সাবের আন্তরিকতা ও ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে, চট্টগ্রাম ডেপুটি কমিশনার আব্দুর রউফ সাহেবের নামে পশ্চিম ষোলো শহর রিফুজি ক্যাম্প নাম পরিবর্তন করে (রউফাবাদ) নামকরণ করেন। বর্তমান অনেকে (রৌফাবাদ) ও লিখে থাকেন।
হামজারবাগ নামকরনের ইতিহাস আমার জানা নেই।
বর্তমান (রউফাবাদ) এলাকায় ১৫/২০ হাজার লোকের বসবাস।
(রউফাবাদ) এলাকায় বর্তমান ভোটার সংখা পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে প্রায় ১০/১১ হাজার রয়েছে।

রবিবার, ২৫ জুন, ২০২৩

নাসিম খান ছিলেন আপষহীন শক্ত মনোবল-সম্মিলিত একজন লৌহমানব।

জনাব, আলহাজ্ব এম নাসিম খান 
ছিলেন আপষহীন শক্ত মনোবল-সম্মিলিত 
একজন লৌহমানব।
ইস কওম কা কিয়া হোগা" এই জাতির কি হবে

এই নিয়ে তাকে দিনের পর দিন দুর্বলতা দুর্বল করে তোলে। একদিকে বয়সের ভার অন্য দিকে নিপীড়িত বঞ্চিত মানবতার চিন্তা আরেক দিকে বিরোধীদের নানাবিধ: মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচার তাকে এ মানবিক দায়িত্ব হতে বিচ্যুত  করতে পারে নাই কারণ তিনি ছিলেন শক্ত মনোবল সম্মিলিত একজন লৌহমানব।  ১৯৭৮ ইং সালে লং মার্চের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। কারাবরণ করেন এই বয়বৃদ্ধ নেতা।  তবুও তিনি তার আদর্শ হতে পিছপা হননি।

আলহাজ্ব এম নাসিম খান এর সংক্ষিপ্ত জীবনি

আলহাজ্ব এম নাসিম খান এর সংক্ষিপ্ত জীবনি 

বাংলাদেশে একমাত্র ব্যাক্তি, জিনি পাসপোর্ট ছাড়া 
সৌদির বাদশা'র আমন্ত্রণে হজ্ব পালোনে সৌদি আরব  ও জেনেভায় সফর করেছিলেন।

আলহাজ্ব এম নাসিম খান 
শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ মানুষের দুঃখ দুর্দশার 
প্রতি ছিলেন যত্নবান ও প্রতিকারমূলক কর্মকাণ্ডে নিবেদিত প্রাণ। 

বিভিন্ন সামাজিক কাজের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখ লাঘবে হবে বড় ভূমিকা রেখে গেছেন।

নাসিম খান এর সংক্ষিপ্ত জীবনি

এসপিজিআরসি'র প্রতিষ্ঠতা ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক 
আলহাজ্ব এম, নাসিম খান সাহেবের সংক্ষিপ্ত জীবনি।

শৈশবকাল হতেই পারিবারিক, সামাজিক কর্মকান্ডে সাংশ্লিষ্ঠতা থাকার কারনে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সহিত যুক্ত হয়ে জনহিতকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় একজন স্নেহভাজন, বিশ্বাসযোগ্য ও সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য ব্যাক্তি হিসেবে  সুখ্যাতি অর্জন করেন।

আলহাজ্ব এম নাসিম খান এর সংক্ষিপ্ত জীবনি

এস পি জি আর সি'র, প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক 
ক্যাম্পে বসবাসরত অবাঙালীদের মাজলুম নেতা
আলহাজ্ব এম নাসিম খান 
ধর্মীয় অনুশাসন ও পারিবারিক ঐতিহ্যকে বুকে ধারণ করে তিনি তাঁর জীবনের প্রথম ধাপ তথা মাদ্রাসার ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণে একজন মেধাবী ও শিক্ষকমন্ডলীর নিকট স্নেহভাজন ছাত্র হিসেবে শিক্ষা জীবনের প্রথম ধাপ সম্পন্ন করেছিলেন।

আলহাজ্ব এম নাসিম খান

    আলহাজ্ব এম নাসিম খান এর সংক্ষিপ্ত জীবনি

পৃথিবীতে সংঘাতব্য যে কোন বিপর্যয়ে পরম সৃষ্টিকর্তা যুগে যুগে বীর সেনানীদের জন্ম দিয়ে তাদের মাধ্যমে বিপর্যস্ত মানবতার পক্ষে লড়াকু সৈনিক হিসেবে জন্ম দান করেছেন।
আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাসিম খানকে ও

ঠিক সেইরুপ দু:স্থ মানবতার পক্ষে লড়াকু 
এক সৈনিক হিসেবে সৃষ্টিকর্তা বেছে নিয়ে ছিলেন।

রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩

SPGRC


সাক্ষ্য প্রদানকারী ছবি।
১২/০৮ ১৯৮৯ ইং তারিখের ছবি।

বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩

SPGRC. M. Nasim Khan. Photo Upload M.Shahussain Ansari


SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahossain Ansari


SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari



SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari


SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari


SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC. Alhaj M. Nasim Khan. Photo Upload M. Shahussain Ansari

SPGRC Haroon ur Rasid


আলহামদুলিল্লাহ
ইফতার মাহাফিল
২৮/৩/২০২৩ ইং তারিখে রোজ মঙ্গলবার
নোন-লোকাল রিলিফ কমিটি মিরপুর ১২ নং (চেয়ারম্যান) জনাব, জালাল উদ্দীন আহমদ ভান্টু সাহেব এর পক্ষে হত চেয়ারম্যান অফিসে ইফতারের আয়োজন করা হয়। উক্ত ইফতার মাহাফিলে উপস্তিত ছিলেন SPGRC কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব, হারুন উর রশিদ সাহেব এবং ঢাকা 
সহ  সারা বাংলাদেশের 
বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেত্রিবিন্দু ও কর্মীগন।


আলহামদুলিল্লাহ
ইফতার মাহাফিল
২৮/৩/২০২৩ ইং তারিখে রোজ মঙ্গলবার
নোন-লোকাল রিলিফ কমিটি মিরপুর ১২ নং (চেয়ারম্যান) জনাব, জালাল উদ্দীন আহমদ ভান্টু সাহেব এর পক্ষে হত চেয়ারম্যান অফিসে ইফতারের আয়োজন করা হয়। উক্ত ইফতার মাহাফিলে উপস্তিত ছিলেন SPGRC কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব, হারুন উর রশিদ সাহেব এবং ঢাকা 
সহ  সারা বাংলাদেশের 
বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেত্রিবিন্দু ও কর্মীগন।




আলহামদুলিল্লাহ
ইফতার মাহাফিল
২৮/৩/২০২৩ ইং তারিখে রোজ মঙ্গলবার
নোন-লোকাল রিলিফ কমিটি মিরপুর ১২ নং (চেয়ারম্যান) জনাব, জালাল উদ্দীন আহমদ ভান্টু সাহেব এর পক্ষে হত চেয়ারম্যান অফিসে ইফতারের আয়োজন করা হয়। উক্ত ইফতার মাহাফিলে উপস্তিত ছিলেন SPGRC কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব, হারুন উর রশিদ সাহেব এবং ঢাকা 
সহ  সারা বাংলাদেশের 
বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেত্রিবিন্দু ও কর্মীগন।

আলহামদুলিল্লাহ
ইফতার মাহাফিল
২৮/৩/২০২৩ ইং তারিখে রোজ মঙ্গলবার
নোন-লোকাল রিলিফ কমিটি মিরপুর ১২ নং (চেয়ারম্যান) জনাব, জালাল উদ্দীন আহমদ ভান্টু সাহেব এর পক্ষে হত চেয়ারম্যান অফিসে ইফতারের আয়োজন করা হয়। উক্ত ইফতার মাহাফিলে উপস্তিত ছিলেন SPGRC কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব, হারুন উর রশিদ সাহেব এবং ঢাকা 
সহ  সারা বাংলাদেশের 
বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেত্রিবিন্দু ও কর্মীগন।


আলহামদুলিল্লাহ
ইফতার মাহাফিল
২৮/৩/২০২৩ ইং তারিখে রোজ মঙ্গলবার
নোন-লোকাল রিলিফ কমিটি মিরপুর ১২ নং (চেয়ারম্যান) জনাব, জালাল উদ্দীন আহমদ ভান্টু সাহেব এর পক্ষে হত চেয়ারম্যান অফিসে ইফতারের আয়োজন করা হয়। উক্ত ইফতার মাহাফিলে উপস্তিত ছিলেন SPGRC কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব, হারুন উর রশিদ সাহেব এবং ঢাকা 
সহ  সারা বাংলাদেশের 
বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেত্রিবিন্দু ও কর্মীগন।

আলহামদুলিল্লাহ
ইফতার মাহাফিল
২৮/৩/২০২৩ ইং তারিখে রোজ মঙ্গলবার
নোন-লোকাল রিলিফ কমিটি মিরপুর ১২ নং (চেয়ারম্যান) জনাব, জালাল উদ্দীন আহমদ ভান্টু সাহেব এর পক্ষে হত চেয়ারম্যান অফিসে ইফতারের আয়োজন করা হয়। উক্ত ইফতার মাহাফিলে উপস্তিত ছিলেন SPGRC কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব, হারুন উর রশিদ সাহেব এবং ঢাকা 
সহ  সারা বাংলাদেশের 
বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেত্রিবিন্দু ও কর্মীগন।


আলহামদুলিল্লাহ
ইফতার মাহাফিল
২৮/৩/২০২৩ ইং তারিখে রোজ মঙ্গলবার
নোন-লোকাল রিলিফ কমিটি মিরপুর ১২ নং (চেয়ারম্যান) জনাব, জালাল উদ্দীন আহমদ ভান্টু সাহেব এর পক্ষে হত চেয়ারম্যান অফিসে ইফতারের আয়োজন করা হয়। উক্ত ইফতার মাহাফিলে উপস্তিত ছিলেন SPGRC কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব, হারুন উর রশিদ সাহেব এবং ঢাকা 
সহ  সারা বাংলাদেশের 
বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেত্রিবিন্দু ও কর্মীগন।

আলহামদুলিল্লাহ
ইফতার মাহাফিল
২৮/৩/২০২৩ ইং তারিখে রোজ মঙ্গলবার
নোন-লোকাল রিলিফ কমিটি মিরপুর ১২ নং (চেয়ারম্যান) জনাব, জালাল উদ্দীন আহমদ ভান্টু সাহেব এর পক্ষে হত চেয়ারম্যান অফিসে ইফতারের আয়োজন করা হয়। উক্ত ইফতার মাহাফিলে উপস্তিত ছিলেন SPGRC কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব, হারুন উর রশিদ সাহেব এবং ঢাকা 
সহ  সারা বাংলাদেশের 
বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেত্রিবিন্দু ও কর্মীগন।


আলহামদুলিল্লাহ
ইফতার মাহাফিল
২৮/৩/২০২৩ ইং তারিখে রোজ মঙ্গলবার
নোন-লোকাল রিলিফ কমিটি মিরপুর ১২ নং (চেয়ারম্যান) জনাব, জালাল উদ্দীন আহমদ ভান্টু সাহেব এর পক্ষে হত চেয়ারম্যান অফিসে ইফতারের আয়োজন করা হয়। উক্ত ইফতার মাহাফিলে উপস্তিত ছিলেন SPGRC কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব, হারুন উর রশিদ সাহেব এবং ঢাকা 
সহ  সারা বাংলাদেশের 
বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেত্রিবিন্দু ও কর্মীগন।


আলহামদুলিল্লাহ
ইফতার মাহাফিল
২৮/৩/২০২৩ ইং তারিখে রোজ মঙ্গলবার
নোন-লোকাল রিলিফ কমিটি মিরপুর ১২ নং (চেয়ারম্যান) জনাব, জালাল উদ্দীন আহমদ ভান্টু সাহেব এর পক্ষে হত চেয়ারম্যান অফিসে ইফতারের আয়োজন করা হয়। উক্ত ইফতার মাহাফিলে উপস্তিত ছিলেন SPGRC কেন্দ্র কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব, হারুন উর রশিদ সাহেব এবং ঢাকা 
সহ  সারা বাংলাদেশের 
বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেত্রিবিন্দু ও কর্মীগন।

রবিবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১৯

বিনা মুল্যের বিদ্যুৎ এর দাবীতে বিহারীদে অনশন ধর্মঘট

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ :  12.01.19, সময় : 2.17 pm
বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে অনশন করেছেন নগরের আটকেপড়া পাকিস্তানি (অবাঙালি) পরিবারের সদস্যরা।
বুধবার (৯ জানুয়ারি) সকাল নয়টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত স্ট্র্যান্ডেন্ড পাকিস্তানিজ জেনারেল রিপ্যাট্রিয়েশন কমিটির (এসপিজিআরসি) ব্যানারে অনশন করেন তারা। এরপর ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে না জেলা প্রশাসকের এমন আশ্বাসে তারা ক্যাম্পে ফিরে যান। অনশনে অংশ গ্রহনকারী মোঃ শাহ হোসেন আনসারী জানান স্বাধিনের পর হতে ১৯৯৬ ইং তারিখ পর্যন্ত সৌদি আরবের এক ইসলামিক সংগঠন
( রাবেতা আল আলেমুল ইসলাম)  বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করত।  সংগঠনটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ সরকারে পক্ষে  ত্রান ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে বিহারীদের বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে আসছ।
এসপিজিআরসি রৌফাবাদ শাখার সম্পাদক আবদুল আজিজ সোবহানী রেহান চট্রগ্রাম পোস্ট’কে জানান, আমাদের এনআইডি (জাতীয় পরিচয়পত্র) ইস্যু করা হয়েছে এ অজুহাতে অবাঙালি ক্যাম্পগুলোর বিনামূল্যের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত যা অমানবিক। তাই আমাদের দাবি অবাঙালি ক্যাম্পগুলোতে জোর করে প্রিপেইড মিটার স্থাপন স্থগিত রাখা হোক।
তিনি জানান, স্বাধীনতার পর থেকে চট্টগ্রামে ৭টি ক্যাম্পে প্রায় ৩০ হাজার অবাঙালি মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে। হালিশহর, ফিরোজশাহ, সর্দার বাহাদুর নগর, রৌফাবাদ, হামজারবাগ, খুলশীসহ ক্যাম্পগুলোতে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত নোটিশ ছাড়াই বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ফিরোজশাহ কলোনির ২৫টি অবাঙালি পরিবারের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। এসব পরিবারের সদস্যরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। রৌফাবাদ কলোনির অবাঙালি পরিবারগুলোকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
Sharehttp://chattogrampost.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81%e0%a7%8e-%e0%a6%8f%e0%a6%b0-%e0%a6%a6/

সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৮

৫ লাখ অবাঙালি পুনর্বাসনের পাঁয়তারা

পার্বত্য চট্টগ্রামে হঠাৎ পাঁচ লাখ অবাঙালি পুনর্বাসনের পাঁয়তারা শুরু হয়েছে। সরকার গঠিত একটি টাস্কফোর্স এই অবাঙালিদের পুনর্বাসনে তাদের তালিকা পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য অনুমোদন দিয়েছে।

পার্বত্য শান্তিচুক্তির আলোকে ২০০৯ সালে ২১ পরিবারকে পুনর্বাসনের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শেষ হয়েছিল। কিন্তু একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এই বিপুলসংখ্যক মানুষকে পুনর্বাসনের চেষ্টা শুরু হয়।
‘ভারত প্রত্যাগত শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসন এবং অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু নির্দিষ্টকরণ ও পুনর্বাসন’ টাস্কফোর্সের নবম সভা সম্প্রতি চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত হয়।

ওই সভায় টাস্কফোর্স সরকারি অর্থায়নে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ৮১ হাজার ৭৭৭ উদ্বাস্তু পরিবারকে পুনর্বাসনে অনুমোদন দেয়। সভায় পুনর্বাসনের জন্য ভারত থেকে প্রত্যাগত ২১ হাজার ১০০ শরণার্থী পরিবারের তালিকাও অনুমোদন দেয়া হয়। এ দুই শ্রেণীর এসব পরিবারকে পুনর্বাসন করা হলে প্রায় পাঁচ লাখ অবাঙালি পুনর্বাসনের আওতায় আসবে।
স্থানীয় বাঙালি সম্প্রদায় ও নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে হটিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের সব আসন আঞ্চলিক দলগুলোর দখলে নেয়ার নানামুখী তৎপরতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

এর মধ্যে রয়েছে- আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাকর্মীদের পাহাড়ের সশস্ত্র গ্রুপগুলোর আঞ্চলিক দলে যোগ দিতে বাধ্য করা। আঞ্চলিক দলে যোগ না দিলে জাতীয় পর্যায়ের দলগুলোর নেতাকর্মীদের ‘মৃত্যুদণ্ড’ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা। অস্ত্রের মুখে প্রাণভয়ে তাই এসব নেতাকর্মী আঞ্চলিক দলে যোগ দিচ্ছেন। অবাঙালি পুনর্বাসনের সাম্প্রতিক প্রচেষ্টাকে এরই নতুন তৎপরতা হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বাঙালিরা।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বর্তমানে চারটি আঞ্চলিক দল রয়েছে। এগুলো হল: জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমার (সন্তু লারমা) পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস-মূল), জেএসএস সংস্কারপন্থী, ইউপিডিএফ (মূল), ইউপিডিএফ (সংস্কারপন্থী)।

শান্তিচুক্তির পর গঠিত টাস্কফোর্স কমিটির প্রধান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা সরকারপন্থী থাকলেও এখন তিনি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এতে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাঙালি সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। পার্বত্য এলাকায় জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক বাঙালি হলেও হঠাৎ অবাঙালি পুনর্বাসন নতুন উত্তেজনাও তৈরি করেছে।

সূত্র জানায়, শান্তিচুক্তির পর টাস্কফোর্সে একজন বাঙালি সদস্য ছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল অভ্যন্তরীণ বাঙালি উদ্বাস্তুদের বিষয়টিও একই সঙ্গে সমাধান করা। কিন্তু সন্তু লারমা সেই সদস্যের ব্যাপারে আপত্তি দেন এবং সেই টাস্কফোর্সকে কাজ করতে দেননি। পরে তাকে বাদ দিয়ে নতুন করে কমিটি করা হয়। এই কমিটি ভারত প্রত্যাগত ১২ হাজার ২২২ পরিবারকে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে পুনর্বাসন করে। এরপর সরকার শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের অগ্রগতি রিপোর্টে শান্তিচুক্তির এই ধারা সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত বলে ঘোষণা করেছে। অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু পুনর্বাসনও শেষ হয়েছে।
https://www.jugantor.com/todays-paper/last-page/

শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৮

উর্দুভাষীদের আন্তর্জাতিক শরণার্থি আইন অনুসারে পুণর্বাসন করা হক।

বাংলাদেশে বসবাসরত উর্দুভাষীদের পুণর্বাসন করা হক, পুণর্বাসনের পুর্বে প্রি পেইড মিটার বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ও ক্যাম্প উচ্ছেদ নয়। বাংলাদেশের ৭০ টি ক্যাম্পে অনেক উর্দুভাষী পরিবার ভাড়া ঘরে থাকেন। নিজস্ব জায়গা নাথায় ভাড়া ঘরে থাকতে হচ্ছে।

আর বিদ্যুৎ বিছিন্ন নয় লাগানো হবে প্রি পেইড মিটার।

বাংলাদেশে উর্দুভাষী ক্যাম্পে।
অবৈধভাবে প্রিপেইড মিটার লাগানো ও
জরপুর্বক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা যাবে না

শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৮

উর্দুভাষী ক্যাম্পের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন।

#মাননীয়_আইন_মন্ত্রীর_দৃষ্টি_আকর্ষণ_করছি_
_________________________________________

সারা বাংলাদেশের ৭০ টি উর্দুভাষী ক্যাম্পের বিদ্যুৎ
বিচ্ছিন্ন করা জাবেনা মর্মে হাইকোর্টের স্থিতিতাদেশ রহহিয়াছে। উক্ত উচ্চ আদালতকে
( বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভলাপমেন্ট। পিডিবি)
বৃদ্ধ আঁগুল দেখিয়ে উচ্চ আদালতের আদেশ
অমান্য করে আইন বহির্ভুত কর্মকান্ড
পরিচালনা করে যাচ্ছেন।
উক্ত আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে
ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য জর দাবী জানাচ্ছি।

বুধবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৮

SPGRC Delegates meet with Prime Minister Sheikh Hasina -15/9/2015.

SPGRC Delegates meet with
 Prime Minister Sheikh Hasina -15/9/2015.

গত এপ্রিল ২০১৫ ইং তারিখে (এস পি জি আর সি') 
প্রতিনিধিদের সাথে গনপ্রজাত্নত্রী বাংলাদেশ সরকারে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওয়াজেদ এর সাথে 
ক্যাম্পের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের লক্ষে সাক্ষাত করেন।