Social Icons

শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

রৌফাবাদ (রউফাবাদ) নামকরণে ইতিহাস

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আওতাভুক্ত ৭ নং ওয়ার্ড ও পাঁচলাইশ থানা অন্তর্ভুক্ত রউফাবাদ কলোনির নাম করনের ইতিহাস। 
১৯৪৭ ইং সালে ভারত বর্ষ বিভক্ত হওয়ার পর, ভারত হইতে অনেক মুসলিম মোহাজের পরিবার পরিজন নিয়ে পুর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন, ভারত হইতে আগত মোহাজেরদের পুণর্বাসনের লক্ষে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ থানা অন্তর্গত দুটি এলাকায় পুণর্বাসনের উদ্যোগ নেয়। 
১ (রউফাবাদ) ২ (হামজারবাগ)
এই দুটি এলাকা ১৯৫২/৫৩ ইং সালে তৎকালীন সময়ে পশ্চিম ষোল শহর রিফুজি ক্যাম্প নামে পরিচিত পায়।
পশ্চিম ষোল শহর রিফুজি ক্যাম্পে মোহাজেরদের পুণর্বাসনের জন্য ১৯৫২/৫৩ ইংরেজি সালে ত্রান ও পুণর্বাসন মোহাজেরদের নামে ১৫.৯০ একর জমি অধিগ্রহণ করেন,
তৎকালীন ১৯৫২/৫৩ থেকে ১৯৬০ ইং পর্যন্ত সর্বমোট ২৬০ পরিবারকে জমি বরাদ্দ দেয়া হয়।
প্রতিটি পরিবারকে ২৫×৫০=১২৫০ বর্গ ফুট জমি ৮৩৫/=টাকা মুল্য ধরে দেয়া হয়। 
১৯৬৩ ইং সাল পর্যন্ত অত্র এলাকার নাম পশ্চিম ষোলো শহর রিফুজি ক্যাম্প নামেই ছিলো ১৯৬৪ ইং সালে চট্টগ্রামে 
আব্দুর রউফ নামের একজন ডেপুটি কমিশনার আসেন এবং তার অধিনে উক্ত এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন হয়, এলাকাবাসী আব্দুর রউফ সাবের আন্তরিকতা ও ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে, চট্টগ্রাম ডেপুটি কমিশনার আব্দুর রউফ সাহেবের নামে পশ্চিম ষোলো শহর রিফুজি ক্যাম্প নাম পরিবর্তন করে (রউফাবাদ) নামকরণ করেন। বর্তমান অনেকে (রৌফাবাদ) ও লিখে থাকেন।
হামজারবাগ নামকরনের ইতিহাস আমার জানা নেই।
বর্তমান (রউফাবাদ) এলাকায় ১৫/২০ হাজার লোকের বসবাস।
(রউফাবাদ) এলাকায় বর্তমান ভোটার সংখা পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে প্রায় ১০/১১ হাজার রয়েছে।

রবিবার, ২৫ জুন, ২০২৩

নাসিম খান ছিলেন আপষহীন শক্ত মনোবল-সম্মিলিত একজন লৌহমানব।

জনাব, আলহাজ্ব এম নাসিম খান 
ছিলেন আপষহীন শক্ত মনোবল-সম্মিলিত 
একজন লৌহমানব।
ইস কওম কা কিয়া হোগা" এই জাতির কি হবে

এই নিয়ে তাকে দিনের পর দিন দুর্বলতা দুর্বল করে তোলে। একদিকে বয়সের ভার অন্য দিকে নিপীড়িত বঞ্চিত মানবতার চিন্তা আরেক দিকে বিরোধীদের নানাবিধ: মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচার তাকে এ মানবিক দায়িত্ব হতে বিচ্যুত  করতে পারে নাই কারণ তিনি ছিলেন শক্ত মনোবল সম্মিলিত একজন লৌহমানব।  ১৯৭৮ ইং সালে লং মার্চের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের হামলায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। কারাবরণ করেন এই বয়বৃদ্ধ নেতা।  তবুও তিনি তার আদর্শ হতে পিছপা হননি।

আলহাজ্ব এম নাসিম খান এর সংক্ষিপ্ত জীবনি

আলহাজ্ব এম নাসিম খান এর সংক্ষিপ্ত জীবনি 

বাংলাদেশে একমাত্র ব্যাক্তি, জিনি পাসপোর্ট ছাড়া 
সৌদির বাদশা'র আমন্ত্রণে হজ্ব পালোনে সৌদি আরব  ও জেনেভায় সফর করেছিলেন।

আলহাজ্ব এম নাসিম খান 
শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ মানুষের দুঃখ দুর্দশার 
প্রতি ছিলেন যত্নবান ও প্রতিকারমূলক কর্মকাণ্ডে নিবেদিত প্রাণ। 

বিভিন্ন সামাজিক কাজের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখ লাঘবে হবে বড় ভূমিকা রেখে গেছেন।

নাসিম খান এর সংক্ষিপ্ত জীবনি

এসপিজিআরসি'র প্রতিষ্ঠতা ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক 
আলহাজ্ব এম, নাসিম খান সাহেবের সংক্ষিপ্ত জীবনি।

শৈশবকাল হতেই পারিবারিক, সামাজিক কর্মকান্ডে সাংশ্লিষ্ঠতা থাকার কারনে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সহিত যুক্ত হয়ে জনহিতকর কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় একজন স্নেহভাজন, বিশ্বাসযোগ্য ও সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য ব্যাক্তি হিসেবে  সুখ্যাতি অর্জন করেন।

আলহাজ্ব এম নাসিম খান এর সংক্ষিপ্ত জীবনি

এস পি জি আর সি'র, প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক 
ক্যাম্পে বসবাসরত অবাঙালীদের মাজলুম নেতা
আলহাজ্ব এম নাসিম খান 
ধর্মীয় অনুশাসন ও পারিবারিক ঐতিহ্যকে বুকে ধারণ করে তিনি তাঁর জীবনের প্রথম ধাপ তথা মাদ্রাসার ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণে একজন মেধাবী ও শিক্ষকমন্ডলীর নিকট স্নেহভাজন ছাত্র হিসেবে শিক্ষা জীবনের প্রথম ধাপ সম্পন্ন করেছিলেন।

আলহাজ্ব এম নাসিম খান

    আলহাজ্ব এম নাসিম খান এর সংক্ষিপ্ত জীবনি

পৃথিবীতে সংঘাতব্য যে কোন বিপর্যয়ে পরম সৃষ্টিকর্তা যুগে যুগে বীর সেনানীদের জন্ম দিয়ে তাদের মাধ্যমে বিপর্যস্ত মানবতার পক্ষে লড়াকু সৈনিক হিসেবে জন্ম দান করেছেন।
আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাসিম খানকে ও

ঠিক সেইরুপ দু:স্থ মানবতার পক্ষে লড়াকু 
এক সৈনিক হিসেবে সৃষ্টিকর্তা বেছে নিয়ে ছিলেন।

রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩

SPGRC


সাক্ষ্য প্রদানকারী ছবি।
১২/০৮ ১৯৮৯ ইং তারিখের ছবি।